কেনো আপনি ব্যবসা করবেন ?

Lifestyle Self Development7 Comments on কেনো আপনি ব্যবসা করবেন ?

কেনো আপনি ব্যবসা করবেন ?

26,061 Views

ছোট ছোট আইডিয়া থেকেও অনেক সময় বৃহৎ ব্যবসায়ের সৃষ্টি হয় । কেউ শুরু করে ছোট পরিসরে কেউ বা আবার করে বড় পরিসরে । প্রায় ক্ষেত্রেই দেখা যায় একটি বড় ব্যবসায়ের শুরুটা হয়েছিলো নিতান্তই একট সাধারণ আইডিয়া থেকে ।

 

আমার একথা বলার উদ্দেশ্য হচ্ছে আপনি শুরু থেকেই যেমন বড় মাপের ব্যবসায়ী হতে পারবেন না তেমনি শুরু থেকেই আপনি বড় ব্যবসায়ী হিসেবে সফল হতে পারবেন না । আপনাকে ঐ পর্যায়ে যেতে হলে ধাপে ধাপে এগুতে হবে । আপনাকে শুরু করতে হবে অল্প থেকে । একটি ব্যবসায় শুরুর ক্ষেত্রে আপনাকে প্রথম পর্যায়ে অনেক নেতিবাচক দিকের কথা চিন্তা করতে হতে পারে । কিন্তু আপনি যদি নেতিবাচক দিকটাকে বেশি প্রাধান্য না দিয়ে ইতিবাচক দিক দিয়ে ভাবেন এবং শুরুটা করে দিতে পারেন তাহলে নেতিবাচক দিকগুলাকে সহজেই এড়াতে পারবেন ( এই টপিক নিয়ে  পরে আলোচনা করা হবে  ) ।

আজকের আলোচনার বিষয়বস্ত হচ্ছে “কেনো আপনি ব্যবসা করবেন ?’’

 

আরো পড়ুন চাকরি নাকি ব্যবসায় ?

 

চাকুরির চাইতে ব্যবসায়ে , স্বাভাবিকভাবেই , আপনি অনেক সুবিধা পাবেন যেগুলা চাকরি করে মোটেও সম্ভব নয় ।

 

ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে একজন ব্যবসায়ী যেসকল সুবিধা ভোগ করে থাকেন তা বলে শেষ করা যাবে না । তা শুধু একজন অভিজ্ঞ ব্যবসায়ী মাত্রেরই জানার কথা । যাই হোক কথা না বাড়িয়ে আপনি কেনো ব্যবসা করবেন তার পেছনে আমার কিছু যুক্তি তুলে ধরছি –

০১ ।। প্রথমেই আসি ব্যক্তি স্বাধীনতার ক্ষেত্রে । আপনি যখন একজন ব্যবসায়ী তখন আপনি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবেন । চাকরীর মতো তখন আপনার থাকবে না কোনো বাধা ধরা । আপনার প্রয়োজনমতো আপনি ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন এক্ষেত্রে কারোর নিকট জবাবদিহিতা  করতে হবে না । ব্যবসায়ের প্রয়োজনে নিজের পছন্দমতো সিদ্ধান্ত আপনি নিতে পারবেন । যেটি চাকরিতে সম্ভব নয় । সুতরাং বুঝতেই পারছেন আপনি ব্যবসায়ী হিসেবে পাচ্ছেন সম্পূর্ণ স্বাধীনতা উপভোগ করার সুযোগ ।

০২ ।। একটি কথা আমরা সবাই জানি যে ব্যবসায়ের মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে মুনাফা উপার্জন । অর্থাৎ ব্যবসায়ী তার যাবতীয় যে সকল ব্যবসায়ীক কার্যকলাপ সম্পাদন করে থাকেন তার পেছনে অর্থ উপার্জনের সুপ্ত বাসনা থাকে প্রবলভাবে , সেটা একজন চাকরিজীবীর বেলাতেও সমান । কিন্তু এক্ষেত্রে কিছুটা পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় । চাকরিজীবী একজন ব্যক্তি নির্দিষ্ট বেতনের বাইরে প্রতিষ্ঠানভেদে অল্প/ বেশি কিছু সুযোগ সুবিধা পেয়ে থাকেন । কিন্তু একজন ব্যবসায়ী তার ব্যবসা থেকে প্রচুর পরিমাণে মুনাফা নিয়ে আসতে পারেন যা একজন চাকরিজীবীর প্রাপ্ত মাসিক বেতনের চেয়েও ক্ষেত্রভেদে কয়েকগুণ বেশি হতে পারে । মনে রাখবেন চাকরি করে যা করা সম্ভব নয় ব্যবসা করে তাই করা সম্ভব । আপনার আশেপাশের কয়েকজন সফল ব্যবসায়ীর সাথে কথা বলেই দেখুন না তারা কি বলেন ।

০৩ ।। এবার কথা বলা যাক সৃজনশীলতা নিয়ে । আপনার বসে বসে সেই চিরাচরিত নিয়মে নির্দিষ্ট সময় মেনে কাজ করতে ভাল লাগে না ?? আপনি কি আপনার সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে  নিজেকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চান ? নিজেকে পুরো বিশ্বের কাছে উপস্থাপন করতে চান ?? তাহলে আমি বলবো নিজের সৃজনশীলতাকে কাজে লাগাতে চাইলে ব্যবসা হতে পারে আপনার সঠিক হাতিয়ার । কেননা আপনি যদি চাকরি করেন তখন আপনার নির্দিষ্ট পোষ্টের কাজটিই আপনি করে যাবেন এর বাইরে তেমন কিছুই থাকবে না আপনার করার জন্য । কিন্তু আপনি আপনার সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে শুরু করে দিতে পারেন ছোট খাটো একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান যেখানে আপনার সৃজনশীলতার ব্যবহার হবে সর্বোচ্চ ।

০৪ ।। ব্যবসায়ের ফলে আপনি আপনার চারিদিকে একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে পারবেন । ব্যবসায়িক কার্যকলাপের ফলে আপনি প্রতিদিন অনেক মানুষের সাথে পরিচিত হবেন । প্রতিনিয়ত লেনদেন সম্পাদনের ফলে ভালো একটি ভিত্তি গড়ে উঠবে আপনাদের মাঝে যা আপনার ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক বাড়াতে সাহায্য করবে । শুধু ব্যবসার ক্ষেত্রেই নয়, নেটওয়ার্কিংকে ব্যবসায়ের পাশাপাশি ব্যক্তিগত উন্নয়নের ক্ষেত্রেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হিসেবে বিবেচনা করা হয় ।

তাহলে আর দেরি কেনো ? নেটওয়ার্ক তৈরী শুরু করে দেয়া যাক ….

০৫ ।। বর্তমানে অনেক তরুণ তরুণী আছেন যারা চাকরির পরিবর্তে নিজেই নিজের জন্য কিছু একটা করতে চান । নিজের চেষ্টাতে স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে চান । আপনি যদি এ ধরণের মানসিকতা পোষণ করেন তাহলে ব্যবসায় হতে পারে আপনার সর্বোচ্চ পছন্দের মধ্যে একটি । কেননা ব্যবসাই হচ্ছে একমাত্র প্ল্যাটফর্ম যেখানে আপনি আপনার সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারবেন , নিজেকে নিয়ে যেতে পারবেন অন্য এক উচ্চতায় । আপনারা আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা’র কথা শুনেছেন নিশ্চই ?? নিজের লক্ষ্য অটুট রেখে তিনি ব্যবসায়িক আইডিয়াকে কাজে লাগিয়ে তার প্রতিষ্ঠিত আলিবাবাকে নিয়ে গেছেন অনন্য এক উচ্চতায় ।

০৬ ।। ব্যবসার জন্য যেমন আইডিয়া দরকার তেমনি ব্যবসা শুরুর পর আপনি নিজেও অনেক আইডিয়া সম্পর্কে অবগত হবেন যেগুলো সম্পর্কে হয়তো আগে আপনার ধারনাই ছিলো না । ব্যবসা যত বৃদ্ধি পাবে আপনার জানার পরিধিও ততই বাড়বে । অভিজ্ঞতার ঝুলিও হবে সমৃদ্ধ । একটি ব্যবসা মানে শুধুই ব্যবসা নয় । এর মাধ্যমে আপনি নিজেকে যেমন জানতে পারবেন তেমনি সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে আপনি কতটুকু দক্ষ সেটা সম্পর্কেও একটি স্পষ্ট ধারণা চলে আসবে । যার মাধ্যমে আপনার মনস্তাত্বিক বিকাশ ঘটবে ।

কাজেই আপনি যদি ধরাবাধা নিয়ম মেনে না চলে নিজের মেধা , সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে আত্মনির্ভরশীল হতে চান সেক্ষেত্রে ব্যবসাই হতে পারে প্রথম পছন্দ ।

 

পোষ্টটি কেমন লাগলো তা জানাতে ভ্যলবেন না । <3 

I am a zero starter. Nothing to say right now, just wait and see. i will come like a thunder.

7 thoughts on “কেনো আপনি ব্যবসা করবেন ?

  1. I think that what you posted was very reasonable.However,
    what about this? suppose you composed a catchier post title?
    I am not suggesting your information isn’t good., but suppose you
    added a title that grabbed a person’s attention? I mean why you should do business?
    | anupdebnath.info is kinda vanilla. You might glance at Yahoo’s front page and note how they write post titles to
    get people to click. You might add a related video
    or a picture or two to grab readers excited about what you’ve got to
    say. Just my opinion, it could bring your website
    a little livelier. https://Www.Nlrbfcu.org/the-near-future-report-review/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back To Top